মনের গভীরে লুকিয়ে থাকা অজানা কিছু রহস্য।Some unknown secrets hidden deep in the mind.

 আজ আপনাদের সামনে কিছু অবাক করা মজাদার বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। যে জিনিস গুলো জানলে আপনিও কিছুটা অবাক হয়ে যাবেন.......

সাইকোলজিক্যাল এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেগুলো আমার আপনার সবার ক্ষেত্রে কোন এক সময় ঘটেছে বা পরবর্তি সময়ে ঘটতে পারে। সেগুলো নিয়ে আলোচনা করব আজকের পর্বে। তো শুরু করা যাক........

আপনার মনে হয় আমারা কোন জিনিসকে চোখ দিয়ে দেখি।


আসলে কিন্তু এমনটা নয়। 

কারণ, আমরা কোন জিনিসকে চোখ দ্বারা দেখি না।আমরা আমাদের মস্তিষ্কের সাহায্যে দেখে থাকি। চোখ শুধু মাত্র ডেটাকে রিসিভ ও সেন্ট করার কাজ করে এবং সেই ডেটাকে ব্রেণে পৌঁছাতে সাহায্য করে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে আমাদের ব্রেণ। ব্রেন সেই ডেটাকে একটি ছবির মত করে সাজিয়ে তুলে তার কালার, আকার, গঠন করে।

উদাহরণ: আমরা যখন কোন কিছু নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করতে থাকি। তখন আমাদের চোখের সামনে ঘটে যাওয়া জিনিসকে অনেক সময় দেখতে পাই না। কারণ ব্রেন তখন গভীর ভাবে চিন্তা করতে ব্যস্ত ছিল। চোখ সবেই দেখেছে কিন্তু ব্রেন তা রিসিভ করেনি। 

এই ব্যপারটা কিন্তু আমার ক্ষেত্রে অনেক বার হয়েছে। হয়তো আপনাদেরও এক আধ বার হয়েছে।



কোন কারনে যদি আপনি খুবই দুঃখিত হয়ে আছেন।আর তখন যদি আপনার কাছে কেউ এসে বলে, আপনার কি কিছু হয়েছে? 


 তখন তার প্রশ্ন শুনে আপনি কান্নাকাটি করতে শুরু করে দিবেন। আপনি চাইলেই আপনার কান্না থামাতে পারবেন না। 

কিন্তু আজব ব্যাপার হলো এই যে, অপরদিকে যদি সেই ব্যক্তিটি আসে যার জন্য আপনি দুঃখ পেয়েছেন, বা যার সঙ্গে আপনার ঝগড়া হয়েছে।সে যদি চলে আসে তখন কিন্তু আপনার আর কান্না পাবে না।  


আপনার বাড়িতে যদি কোন শিশু কোন কারণে কাঁদতে শুরু করে তখন হয়তো আপনারা তাকে ভোলানোর জন্য অনেক চেষ্টা করবেন। তবুও যদি তাকে ভোলাতে না পারেন। তাহলে এই টিপসটি প্রয়োগ করে দেখুন আপনার কাজে লাগবে। 


টিপসটি হল, বাচ্চাটিকে ভোলানোর জন্য আপনাকেও তার মতো করে কাঁদার অভিনয় করতে হবে। মানে কাঁদতে হবে। তারপর দেখবেন বাচ্চাটি আর কাঁদবে না।


একটা ছেলে যখন কোন একটি মেয়ের সাথে প্রথম দেখা করে। তখন ছেলেটি বহু চেষ্টা করে নিজেকে আড়াল করার। সে চাই না যে মেয়েটি বুঝে যাক সে তাকে পছন্দ করে। কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো মেয়েটি ঠিক বুঝে যায়।  


কারণ, মেয়েরা ছেলেদের চেহারা, কথাবার্তা, হাবভাব, ইত্যাদি এগুলো খুব ভালো ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারে। তাই তারা সহজেই বুঝে নিতে পারে যে, ছেলেটি তাকে পছন্দ করে।


এক রিসার্চে দেখা হয়েছে যে, আপনি কোন অচেনা ব্যক্তির দিকে চোখে চোখ রেখে দুই থেকে তিন মিনিট পর্যন্ত তাকিয়ে থাকলে। তখন দুজনের শরীরের মধ্যে একটা কম্পন অনুভব করতে দেখা যায়। এবং এটাও ফিল করা যায় যে, দুজনের হাটবিট সমান ভাবে চলতে থাকে।



সাইকোলজির হিসেবে কোন ব্যক্তি রেগে গেলে তার চিৎকার করার জন্য কোন শক্তির প্রয়োজন হয় না। কিন্তু রেগে যাওয়ার পর চুপ থাকার জন্য অনেক শক্তির প্রয়োজন হয়।



সাইকোলজির হিসেবে যতই আপনি কোন জিনিসের জন্য অপেক্ষা করবেন। আর সেই জিনিস টাকে যত দেরিতে পাবেন।আপনার খুশী হবার মাত্রাও ততগুন বেড়ে যাবে।


যখন কোন মানুষ প্রেমে পড়ে, তখন সেই মানুষটি নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ হিসেবে চিহ্নিত করে। 


কারণ, এই সময় সেই ব্যক্তির মস্তিষ্কে ডোপামিন কেমিক্যাল প্রচুর পরিমাণে নিঃসরিত হয়। যখন আমরা অনেক খুশী অনুভব করে থাকি। তখনো এই কেমিক্যাল নিঃসরণ হয়।


আপনি কি জানেন, যখন আপনার কোন কাজ করার জন্য প্লান( B) থেকে থাকে। তখন আপনার প্লান( A) কে এতটা বিশ্বাস করেন না। এবং এর ফলে আপনার প্লান (A) এর ফেল হবার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে য়ায়।


আপনি কি জানেন, যারা মিথ্যা কথা বলে। তারা কিন্তু অপরের মিথ্যা কথা সহজেই বুঝতে পারে।



যদি কোন ব্যক্তি আপনার দিকে তাকিয়ে থাকে এবং দেখতেই থাকে। তো তখন আপনি কি করবেন?

 তখন আপনি একটা কাজ করতে পারেন। আপনিও সেই ব্যক্তির পায়ের দিকে তাকিয়ে থাকুন।

দেখবেন আপনার দিকে আর সে তাকিয়ে নেই।


আপনি কি জানেন, প্রতিটি মানুষ দশ বছর অন্তর একজন নতুন ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়। সাইকোলসির হিসেবে মানুষের দশ বছরের মধ্যে তার ভাবনা চিন্তা, পছন্দ অপছন্দের অনেক পরিবর্তন হয়ে যায়। 

আপনি চাইলে নিজেই একবার ভেবে দেখুন। দশ বছর আগে আপনার জীবন যাত্রা কেমন ছিল অথবা আপনার তখনকার চাওয়া পাওয়া, ভাবনা চিন্তা কেমন ছিল। আর এখন কেমন আছেন। অথবা আগামী দশ বছর পর, আপনি অন্য এক ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়ে যেতে পারেন।


মনে করুন আপনি কোন কিছু ভুলে গেছেন। 

আর সেটি কিছুতেই মনে করতে পারছেন না। তো এই সময় আপনি একটি কাজ করতে পারেন। কাজটি হল, আপনার হাতের আঙ্গুলগুলো কিছু ক্ষণ জড়িয়ে রাখুন, তারপর ছেড়ে দিন। এই ভাবে কিছু ক্ষণ করার ফলে সেই হারিয়ে যাওয়া জিনিসটা মনে পড়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে য়ায়।


আপনার যদি ঘুম না আসে, তাহলে আপনি এই দুটি কাজ করতে পারেন 


( ১) জোরে জোরে কয়েকবার স্বাস নিন এবং যতক্ষন পারেন দাবিয়ে রাখুন। তারপর ধীরে ধীরে ছাড়তে থাকুন। এই ভাবে এক থেকে দুই মিনিট করুন। 

(২), ১০০ থেকে ১ পর্যন্ত চোখ বুজে শুয়ে গুনতে থাকুন। দেখবেন আপনি কখন ঘুমিয়ে গেছেন।


অনেকেই সকালে বা ভোরবেলায় উঠার জন্য এলার্ম দিয়ে থাকে। 

কিন্তু আমি বলছি আপনি এলার্ম না দিয়েই যখন খুশি আপনার ঘুম ভাঙ্গাতে পারবেন। তার জন্য আপনাকে যা করতে হবে........

ঘুমোনোর সময় আপনাকে মনে মনে বলতে হবে যে, "কাল ভোর চারটায় উঠতে হবে, কাল একটা জরুরী কাজ আছে" এই ভাবে মনে মনে ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়ুন। 

এরপরে ভোর চারটায় আপনার ঘুম ভেঙে যাবে অথবা চারটার একটু আগেও ঘুম ভাঙাতে পারে।

এখানে সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো এই যে, আপনি চারটায় উঠার কথা বলেছেন তাই চারটায় আপনার ঘুম ভেঙেছে। 

এখানে চারটায় সময় উঠার জন্য কোন এলার্ম ঘড়ি সেট করাও হয়নি তবুও কি ভাবে ঘুম ভেঙে যায়। এটার ব্যাখ্যা এখনও আমি জানি না। 

আপনারা চাইলে চারটার জায়গায় অন্য সময়েও করতে পারেন। এখানে বোঝানোর সুবিধার্থে চারটার সময় ধরা হয়েছে।


তো এই টিপসটি আমি যতবার করেছি, ততবারেই আমার কাজে লেগেছে। 

আর একটা কথা বলে রাখি, আপনার ঘুম ভাঙ্গবে কিন্তু কয়েকটি স্বপ্নের দ্বারাই......... 



ভালোবাসা কি? ভালোবাসা হয় কি ভাবে?














Post a Comment

Previous Post Next Post