মানুষ চেনার সহজ উপায় Easy way to get to know people.

 মানুষ চেনার সহজ উপায়। কি ভাবে একজন মানুষকে সহজে চেনা যায়। খারাপ মানুষের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।

পৃথিবীতে সবচেয়ে জটিল কাজ হল মানুষকে চেনা।
একজন মানুষকে চোখে দেখে বুঝতে পারা খুবই মুসকিল। তার পোশাক আর মুখ দেখে ভালো মনে হতে পারে কিন্তু তার মন টি ভালো নাও হতে পারে। আর এই পৃথিবীতে ভালো মনের মানুষ পাওয়া খুবই ভাগ্যের ব্যাপার।


 
এই পোস্টে এমন কিছু উল্লেখ করা থাকবে যা, কোন কোন, মানুষের পক্ষে মেনে নেওয়া একটু জটিল হয়ে উঠবে।
তার জন্য আমি আপনাদের কাছে আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আর আমাকে কেউ ভুল বুঝবেন না।
আমার উদ্দেশ্য কাউকে ছোট করা বা অপমানিত করা নয়। আমি চাই আপনারা সবাই আমাকে সহযোগিতা করুন। যাহাতে আপনাদের আমি উপকার করতে পারি।
আমার উদ্দেশ্য আপনাদের কে সাহায্য করা ও নতুন কিছু শেখানো এবং একজন প্রকৃত ভালো মনের মানুষ কি ভাবে হওয়া যায় সেই চেষ্টা করা,
এবার শুরু করা যাক,,

  সঠিক বন্ধুকে কি ভাবে বুঝবো।

আমরা ছেলে বেলা থেকেই অনেক বন্ধু বান্ধবীদের সঙ্গে মেলামেশা করে বড় হয়ে থাকি। এবং সবাই খুব খোলা মনে মেলামেশা করতে থাকি। তাই আমাদের ছেলে বেলার বন্ধুদের চিনতে বা জানতে খুব একটা অসুবিধা হয় না।


এমনিতেই জেনে যাই কোন বন্ধুটি কেমন। কি তার ভালো লাগে, কি রকম তার স্বভাব, কেমন তার চরিত্র ইত্যাদি। কিন্তু আমরা যত বড় হই ততই আমাদের বন্ধুর সংখ্যা কমতে থাকে। শেষ পর্যন্ত দু একটা বন্ধু থাকে। যারা নিয়মিত খোঁজ খবর নেন, বিপদে আপদে সাহায্য করে এবং ফ্রী থাকলে ফোনে অনেক গল্প বলে। 
এর থেকে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন আপনার সঠিক বন্ধু কে বা কারা।
কিন্তু বর্তমানে নতুন করে বন্ধু চেনা খুবই জটিল। কারণ কেউ বিনা স্বার্থে বন্ধুত্ব করতে চায় না। কোন না কোন স্বার্থ নিয়ে সে বন্ধুত্ব করতে চায়, তার থেকে একটু সাবধানে থাকাই ভালো।
প্রকৃত অর্থে বন্ধু সে,যে বিপদে আপদে পাশে থেকে সব সমস্যার সমাধান করতে এগিয়ে আসে।
যে সুখের সময় আপনার পাশে থাকে আর দুঃখের সময় সরে যায় সে কিন্তু আপনার প্রকৃত বন্ধু নয়। কারো থেকে টাকা ধার নিয়ে দেখো, বা কাউকে টাকা ধার দিয়ে দেখো তাহলে বুঝতে পারবেন। 

সৎ মানুষ চেনার উপায় কি


সৎ মানুষ চেনার জন্য, তার সাথে কোন অসৎ কিছু করুন বা তার সাথে অসৎ মানুষের গল্প বলুন। যদি সে অসৎ মানুষের গল্প শুনতে বেশি আগ্রহ প্রকাশ করে থাকে তাহলে জানাবেন সে সৎ ব্যক্তি নয়। সে একজন অসৎ ব্যক্তি। সৎ মানুষেরা কাউকে ছোট চোখে দেখে না। তারা অসৎ মানুষের থেকে সবসময় দূরে থাকে। সৎ মানুষেরা অন্য কারো দুঃখ কষ্ট সহ্য করতে পারে না। অন্যের দুঃখে তাদের চোখে জল চলে আসে।    

প্রকৃত প্রেমিক বা প্রেমিকা কি ভাবে চিনবেন।

সত্যিই যে তোমাকে ভালোবাসবে, সে তোমাকে বিশ্বাস করবে আর সহজে ভুল বুঝবে না। অন্যের কথায় কান না দিয়ে তার নিজের চোখে দেখে বিশ্বাস করবে। সব সময়ের জন্য তুমি কি ভাবে আরো অনেক ভালো থাকো সে চেষ্টাই করবে। তোমার কোন দুঃখ কষ্ট সহ্য করতে পারবে না বরং তোমার থেকে সেই বেশি কষ্ট পাবে এবং হাজার কষ্টেও তোমাকে ভালোবেসে যাবে।


         স্বার্থপর মানুষ চেনার উপায়।

কথা বলার সময় যারা নিজের গুনগান বেশি করে। অপরের ভালো শুনতে চায় না। নিজেকে সঠিক বলে প্রমানিত করার চেষ্টা করে।
তর্কে সেই সঠিক, আর বাকি সবাইকে ভুল মনে করে।
যে নিজের ছাড়া অন্য কিছুই বুঝতে চায় না।
সেই সব মানুষের থেকে দূরে থাকুন।

লোভীদের চেনার উপায়।

লোভী মানুষদের চেনার সহজ উপায় হল, তাদের চোখ। চোখ দেখেই বুঝতে পারবেন। উদাহরণ,
আপনি একটি সুন্দর ও দামী ঘড়ি পরে বিয়ে বাড়ীতে এসেছেন। অনেকের সঙ্গে কথা বলার মাঝে মাঝে কেউ আপনার হাতের দিকে তাকিয়ে আছে, যদি এরকম কাউকে নজরে পড়ে তাহলে জানবেন সেই ব্যক্তি লোভীদের মধ্যে একজন।
মেয়েরা লোকের চোখ দেখে খুব সহজে বুঝতে পারে লোকটি কেমন। 

  হিংসুটে মানুষ চেনার উপায়।

এই মানুষ দের চেনা একটু জটিল, কারন এরা সামনা সামনি আপনার কোন ক্ষতি করে না। এরা আড়াল থেকে আপনার ক্ষতি করার চেষ্টা করে। বেশিরভাগ আপনার আশেপাশের লোকেরাই এই কাজটি সুন্দর ভাবে করে থাকে। যাহাতে আপনি কোন টের পান না। এদের কে আপনি তখনি বুঝতে পারবেন যখন আপনি কোন বিপদে পড়বেন। তখন তারা খুব মিষ্টি মিষ্টি কথা বলবে। কিন্তু অন্য সময় আপনাকে চিনেও চিনবে না, কথা বলা তো দূরের কথা।
আর যখন আপনি কোন ভাল কাজ করবেন, আপনাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করবে এবং আড়ালে বদনাম করতে থাকবে। রাগী মানুষ চেনার উপায়।

রাগী মানুষদের খুব সহজেই চেনা যায়।

অনেকটাই মুখ আর চোখ দেখে বুঝতে পারা যায়। এরা একটু গম্ভীর প্রকৃতির হয়ে থাকে,  কথা কম বলে, এরা গান ,বাজনা, হই হুল্লোর, ইত্যাদি পছন্দ করে না। বাচ্চাদের পছন্দ করে না। সর্বদা নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকে। এরা খুবই রাগী টাইপের হয়ে থাকে। এদের সামনে কোন ভুল কাজ করা চলবে না, তাহলে ভীষন রেগে যাবে।

লাজুক প্রকৃতির মানুষ চেনার উপায়।

এদের কেউ চেনা যায় খুব সহজে। এরা সাধারণত নির্জনতায় থাকতে চেষ্টা করে। কারোর চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে পারে না। বেশিরভাগ কথা বলার সময় নিচের দিকে মুখ নামিয়ে কথা বলে। আড্ডার আসরে এরা বেশি অংশগ্রহণ করে না। কেউ দশটি কথা বললে সেখানে একটি কথা বলে। সামান্য তাকে নিয়ে কোন কথা বললে, সেখান থেকে সে উঠে পালিয়ে যায় এবং এরা প্রতিবাদ করতে পারে না।


এছাড়াও কতো গুলো বৈশিষ্ট্য আছে যেগুলো দ্বারা  বোঝা যায় মানুষ টি কেমন। 

খারাপ মানুষের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য নিচে দেওয়া হলো


 (১)যে কখনোই নিজের দোষ স্বীকার করে না।


(২) যে সকল ব্যক্তিরা সব কিছুতেই অহংকার দেখায়।


(৩) যারা ক্ষমতার অপব্যাবহার করে থাকে।


(৪) যে সকল ব্যক্তিরা সব বিষয়ে নাক গলানোর চেষ্টা করে।

(৫) যারা সামান্য ব্যাপারেই রেগে যায়।


(৬) যাদের মুখের ভাষার কোন ঠিক থাকে না, খারাপ ভাষা ব্যবহার করে।


(৭) সত্য মিথ্যা যাচাই করাকে যারা সমর্থন করে না।


(৮) যারা অন্যের দোষ দেওয়ার চেষ্টা করে, নিজেকে আড়াল করে।

(৯) অন্যের সন্মান দেওয়া কে যারা দুর্বলতা ভাবে।


(১০) অকারনেই যারা বেশি বোঝাতে আসে।


(১১) মানুষের দূর্বল জায়গায় আঘাত করে কথা বলে।


(১২) যে অন্যের প্রতিভা কে ছোট বলে মনে করে।


(১৩) নিজেকে ভাবে যে, আমিই পৃথিবীর সবচেয়ে চালাক ব্যক্তি,,,,,,,,


(১৪) যে সকল ব্যক্তি সর্বদাই মিথ্যে কথা বানিয়ে বানিয়ে বলে থাকে।


(১৫) যারা অন্যের সমালোচনা বেশি করে থাকে এবং অন্যের গোপন খবর পেয়ে রটিয়ে বেড়ায়।  

 এই সকল মানুষের থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন,,,,,


Post a Comment

Previous Post Next Post